Showing posts with label Banking News. Show all posts
Showing posts with label Banking News. Show all posts

সিটিজেনস ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে যোগ দিয়েছেন আলমগীর হোসেন


    বেসরকারি সিটিজেনস ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে যোগ দিয়েছেন আলমগীর হোসেন। সিটিজেনস ব্যাংকে যোগদানের আগে তিনি ব্যাংক এশিয়ায় উপব্যবস্থাপনা পরিচালক, করপোরেট ও বৃহৎ ঋণ বিভাগের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ব্যাংকিং খাতের ২৮ বছরের কর্মজীবনে আলমগীর হোসেনের রিটেইল, সিএমএসএমই, করপোরেট ও বৈদেশিক বাণিজ্য বিভাগে কাজের অভিজ্ঞতা রয়েছে। ১৯৯৭ সালে ইস্টার্ন ব্যাংকে প্রশিক্ষণার্থী কর্মকর্তা (প্রবেশনারি অফিসার) হিসেবে তাঁর কর্মজীবন শুরু হয়েছিল। ২০০৫ সালে তিনি ব্যাংক এশিয়ায় যোগদান করেন। এই দুই ব্যাংকেই তিনি শাখা, ব্যবসায়িক বিভাগ ও করপোরেট অফিসে জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপনা দলের (সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট টিমের) বিভিন্ন পদে দায়িত্ব পালন করেন।



আলমগীর হোসেন ব্যাংক এশিয়ার করপোরেট ব্যবসারও নেতৃত্ব দেন। তিনি ব্যাংকটির প্রবৃদ্ধি ও উন্নয়নেও অবদান রাখেন। ব্যাংক এশিয়ায় ব্যবসায়িক উন্নয়নে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ বেশ কয়েকবার ‘দ্য সার্ভিস এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ডস’ লাভ করেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এ ছাড়া তিনি দেশে ও বিদেশে অসংখ্য প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, কর্মশালা ও সেমিনারে অংশগ্রহণ করেছেন। বেসরকারি খাতের বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে ২০২০ সালে অনুমোদন পেলেও ব্যাংকটির বাণিজ্যিক কার্যক্রম শুরু হয় ২০২২ সালের মাঝামাঝি। সারা দেশে ব্যাংকটির ২০টি শাখা রয়েছে। ব্যাংকটির সর্বশেষ ২০২৩ সালের বার্ষিক প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, ওই বছর শেষে ব্যাংকটির আমানত ছিল ১ হাজার ৫ কোটি টাকা। আর এ সময়ে বিতরণ করা ঋণের পরিমাণ ছিল ৪৩৮ কোটি টাকা।

Easy life with bank

Banks not only make the economy faster but also make the life easier. In England when bank establised the moto was not only increse the savings of the people, take & give,  faster the economy but also it was the moto that make the daily movement easier, safe and harsh free.

Now we can open a bank acount from home, deposit the money from nearest, reliable, harshfree service. Not we can pay the bill of any kind of shop by mobile. Pay our current bill, gas bill, water bill etc from home and by our mobile. Its make the life faster,easier.

Banking in my hand

আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে বিপ্লব এনেছে মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো। ১৬টি ব্যাংক এখন দেশজুড়ে এই সেবা দিচ্ছে। তবে এই সেবার বড় হিস্যাই ব্র্যাক ব্যাংকের বিকাশ, ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের রকেট এবং ডাক বিভাগের নগদ-এর। তাদের এগিয়ে যাওয়ার গল্প নিয়েই এবারের আয়োজন ময়মনসিংহের ফজর আলী, পেশায় রিকশাচালক। দেড় দশক ধরে ঢাকায় রিকশা চালিয়ে অর্থ উপার্জন করেন। তাঁর দুই মেয়ে ময়মনসিংহের স্কুলে পড়াশোনা করে, স্ত্রীও সেখানে থাকেন। আগে তিনি পরিবারের কাছে টাকা পাঠাতে কুরিয়ার সার্ভিসের পাশাপাশি স্থানীয় ব্যক্তিদের সহায়তা নিতেন। তিন বছর ধরে টাকা পাঠাতে আর কারও সহায়তা নেন না। মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান বিকাশের মাধ্যমে প্রতি সপ্তাহে নিজেই টাকা পাঠিয়ে দেন। এতে যেমন টাকা পাঠানোর ঝুঁকি কমে গেছে, একইভাবে তাৎক্ষণিক টাকাও পেয়ে যাচ্ছে তাঁর পরিবার। ফজর আলীর মতো সব রিকশাচালক ও কম আয়ের মানুষের কাছে এমএফএস এখন যেন বড় আশীর্বাদ। সারা দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় সাড়ে তিন কোটি মানুষ নিয়মিত এ সেবা ব্যবহার করছে। আর এ সেবার জন্য নিবন্ধিত গ্রাহক এখন প্রায় ৮ কোটি। বাংলাদেশে মোবাইলের মাধ্যমে আর্থিক সেবার যাত্রা শুরু হয় ২০১১ সালের মার্চে। বেসরকারি খাতের ডাচ্-বাংলা ব্যাংক প্রথম এ সেবা চালু করে। পরে এটির নাম বদলে হয় রকেট। এরপর ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে এমএফএস সেবা চালু করে ‘বিকাশ’। পরবর্তী সময়ে আরও অনেক ব্যাংক এ সেবায় এসেছে। তবে খুব সুবিধা করতে পারেনি। বর্তমানে বিকাশ, রকেটের পাশাপাশি মাই ক্যাশ, ইউক্যাশ, শিওর ক্যাশসহ ১৬টি ব্যাংক এ সেবা দিচ্ছে। এ বাজারের ৭০ শতাংশ বিকাশের নিয়ন্ত্রণে, ২২ শতাংশ রকেটের ও বাকিটা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর। এরপরও এ সেবার মাশুল এখনো অনেক বেশি। এক হাজার টাকা তুলতে গ্রাহকদের খরচ করতে হয় সাড়ে ১৮ টাকা। এরপরও দৈনিক ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা লেনদেন হচ্ছে এ সেবার মাধ্যমে। আর দিনে লেনদেনের সংখ্যা প্রায় ৭৫ লাখ। এতেই বোঝা যায়, এ সেবার পরিধি কেমন। তবে ইনস্টিটিউট অব মাইক্রোফিন্যান্সের (আইএনএম) নির্বাহী পরিচালক মুস্তফা কে মুজেরী এ সেবা নিয়ে প্রথম আলোকে বলেন, বাজারটি এখনো প্রতিযোগিতামূলক হয়ে ওঠেনি। একটি প্রতিষ্ঠানই বড় অংশের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে, আরও একটি বাকিটা। আবার এসব সেবা সেভাবে দেখভালও হচ্ছে না। এর ফলে সেবার মান ও খরচ কমছে না। তাই বাজারটি কীভাবে প্রতিযোগিতামূলক করা যায়, তা নিয়ে কাজ করার সময় এসেছে। এমএফএস সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, যে মাশুল আদায় হয়, তার ৬০ শতাংশের বেশি এজেন্টদের দেওয়া হয়। এরপর নেটওয়ার্ক খরচ দিতে হয়। বাকিটা প্রতিষ্ঠান পরিচালনাতে খরচ হয়। দিন শেষে মুনাফা হয় খুব কম। তবে দিন শেষে এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলোর হিসাবে তিন হাজার কোটি টাকার বেশি জমা থাকছে। এসব অর্থের সুদ থেকেই মুনাফা করছে প্রতিষ্ঠানগুলো। এদিকে এমএফএস চালুর ফলে শুধু কম আয়ের মানুষের সুবিধা হয়েছে, বিষয়টা তেমন না। বড় করপোরেট ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান এবং শিল্পমালিকেরাও এর সুবিধা পেয়েছেন। এখন দেশের সব বড় ভোগ্যপণ্য প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের পণ্য বিক্রির টাকা এ সেবার মাধ্যমে সংগ্রহ করছে, যাকে কালেকশন সেবা বলছে এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলো। আবার অনেক বড় শিল্প গ্রুপ তাদের শ্রমিকের বেতনও দিচ্ছে এমএফএসের মাধ্যমে। শুধু তা–ই নয়, সরকারি ভাতা, বৃত্তি, কেনাকাটা, পরিষেবা বিল পরিশোধ—সবই করা যাচ্ছে। আবার ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ ও আদায় এবং বিদেশি সংস্থার তহবিল বিতরণও হয়ে থাকে। জানা গেছে, হা-মীম গ্রুপের ৪০ হাজার, স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের ৩৮ হাজার, বেক্সিমকো গ্রুপের ৩১ হাজার, ভিয়েলাটেক্স গ্রুপের ১২ হাজার ও এবিএ গ্রুপের সাড়ে ১১ হাজার কর্মীর বেতন হয় বিকাশের মাধ্যমে। আবার ভোগ্যপণ্য প্রতিষ্ঠান নেসলে বাংলাদেশ, ম্যারিকো বাংলাদেশ, স্কয়ার ফুডসহ আরও অনেক প্রতিষ্ঠানের পণ্য বিক্রির টাকা সংগ্রহ হয় বিকাশের মাধ্যমে। আবার ব্র্যাক, ব্যুরো বাংলাদেশসহ আরও অনেক প্রতিষ্ঠানের ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ ও কিস্তি সংগ্রহ হয় বিকাশের মাধ্যমে। দিন দিন সেবার আওতা বেড়ে চলেছে। আবার রকেটের মাধ্যমে ট্রান্সকম বেভারেজ, বার্জার পেইন্ট, বাটা সু, ম্যারিকো বাংলাদেশসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পণ্য বিক্রির টাকা জমা হয়। নোমান, ফকির, অ্যাপেক্স, মোহাম্মদী, এসিআই, প্রাণ–আরএফএলসহ আরও বিভিন্ন শিল্প গ্রুপের কর্মীর বেতন যায় রকেটের মাধ্যমে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বর পর্যন্ত এ সেবার গ্রাহকসংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৯৬ লাখ। এর মধ্যে সক্রিয় গ্রাহক ৩ কোটি ৪৭ লাখ। আর দেশজুড়ে এ সেবা দিতে এজেন্ট রয়েছেন ৯ লাখ ৭১ হাজার। ডিসেম্বরে দৈনিক লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা, নভেম্বরে যা ছিল ১ হাজার ২৬৩ কোটি টাকা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, মোবাইল ব্যাংকিংয়ে দিনে পাঁচবারে ৩০ হাজার টাকা জমা করা যায়। মাসে ২৫ বারে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা। আর এক দিনে ২৫ হাজার টাকা উত্তোলন ও ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি হিসাবে পাঠানো যায়। সেবা দিচ্ছে ১৬ ব্যাংক বাংলাদেশে এখন ১৬টি ব্যাংক মোবাইলে আর্থিক সেবা দিচ্ছে। ব্র্যাক ব্যাংকের বিকাশ, ডাচ্​–বাংলার রকেট, ইসলামী ব্যাংকের এম ক্যাশ, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের ইউক্যাশ, সাউথইস্ট ব্যাংকের টেলিক্যাশ, ওয়ান ব্যাংকের ওকে, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের মাই ক্যাশ, প্রাইম ব্যাংকের প্রাইম ক্যাশ, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের স্পট ক্যাশ, ট্রাস্ট ব্যাংকের মোবাইল মানি, মেঘনা ব্যাংকের ট্যাপ এন পে। এ ছাড়া রুপালি, ফার্স্ট সিকিউরিটি, বাংলাদেশ কমার্স, এনসিসি ও যমুনা ব্যাংক দিচ্ছে শিওর ক্যাশ সেবা। এর মধ্যে মেঘনা ব্যাংকের সেবা বন্ধের পথে। আরও কয়েকটি ব্যাংক এমএফএস সেবা চালু করার পর আবার বন্ধও করে দিয়েছে

Bengal Commercial Bank gets BB approval

Bengal Commercial Bank, was proposed to be set up by the Bengal Group of Industries. The Bangladesh Bank has given its final okay to Bengal Commercial Bank, bringing the number of scheduled banks in the country to 60. Bengal Commercial Bank, was proposed to be set up by the Bengal Group of Industries. The central bank board of directors approved the new bank at a meeting held at Bangladesh Bank headquarters on Sunday. Bangladesh Bank Governor Fazle Kabir presided over the meeting. "The bank will run with 17 sponsor directors and three independent directors. Bengal Group of Industries Vice Chairman Md Jashim Uddin will act as the chairman of the bank," said Bangladesh Bank Executive Director and spokesperson Md Serajul Islam. On October 29, 2018, the central bank approved Community Bank Bangladesh and rejected proposals for three other banks lacking adequate documents to be eligible for licences. Bangladesh Police Welfare Trust owns Community Bank Bangladesh. Economist and former finance adviser to a caretaker government, AB Mirza Azizul Islam, told Dhaka Tribune: "There is no logic to approving more banks. We should think of laws to force mergers for the existing ones, rather than establishing new banks." "The number of banks is already high," he added. The financial health of the nine banks which got licences in 2013 is poor, with one of those currently on "life support," a senior Bangladesh Bank official said.

Banking in Bangladesh

ব্যাংকিং সেবায় এবার যুক্ত হচ্ছে উপশাখা। মোবাইল ব্যাংকিং, এজেন্ট ব্যাংকিং প্রভৃতির পর এবার উপশাখার অনুমোদন দেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতদিন দেশের ব্যাংকগুলো লেনদেনের জন্য শাখা খুলে ব্যবসা করতো, এবার এই ব্যাংকগুলো উপশাখাও খুলতে পারবে। তবে যে সব ব্যাংক এরই মধ্যে ‘ব্যাংকিং বুথ’ নামে ব্যবসা কেন্দ্র খুলেছে, সেই কেন্দ্রগুলোকে ‘উপশাখা’ নামে অভিহিত করতে হবে। এ বিষয়ে মঙ্গলবার (৩ ডিসেম্বর) একটি সার্কুলার জারি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারে বলা হয়েছে, এখন থেকে ‘ব্যাংকিং বুথ’ নামের ব্যবসা কেন্দ্রগুলো ‘উপশাখা’ নামে পরিচিত হবে। একইসঙ্গে ‘ব্যাংকিং বুথ’ শব্দগুচ্ছ এবং ‘ব্যাংকিং বুথ’ বোঝাতে ব্যবহৃত সব শব্দ/শব্দগুচ্ছ ‘উপশাখা’ শব্দ দ্বারা প্রতিস্থাপিত হবে। কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, ব্যাংকের ভল্টের নিরাপত্তার মতো উপশাখার নগদ টাকা জমা ও ক্যাশে থাকা টাকার পূর্ণ বিমা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া প্রয়োজনে উপশাখায় ভল্ট স্থাপন করা যাবে। ওই ভল্ট নিয়ন্ত্রণকারী শাখার ভল্ট হিসেবে গণ্য হবে। ব্যাংকের কোনও পূর্ণাঙ্গ শাখার নিয়ন্ত্রণে পরিচালিত স্বল্পব্যয়ী ‘ব্যবসা কেন্দ্র’ এখন থেকে উপশাখা নামে পরিচালিত হবে। ব্যাংকের শাখার মতো উপশাখাগুলোতেও বেশ কিছু সুবিধা পাওয়া যাবে। এসব ব্যবসা কেন্দ্র চালু করতে হলে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কথা বলেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এছাড়া উপশাখার আকার এক হাজার বর্গফুটের বেশি ও কার্যক্রম পরিচালনার জন্য দুই জন কর্মকর্তা নিয়োগ করার কথা বলা হয়েছে। ব্যয়ের বিষয়ে বলা হয়েছে, স্বল্পব্যয়ী ব্যাংকিং আউটলেট বিবেচনায় প্রচলিত শাখা স্থাপনের জন্য নির্ধারিত বিভিন্ন ব্যয়সীমার চেয়ে উপশাখা স্থাপনের ব্যয় এবং প্রচলিত শাখা থেকে দেওয়া ব্যাংকিং সেবার জন্য নির্ধারিত ফি, চার্জ, কমিশনের চেয়ে উপশাখার সেবা দেওয়ার ফি, চার্জ, কমিশন সবই কম হবে। উপশাখায় খোলা যেকোনও ব্যাংক হিসাব, মূল ব্যাংক শাখায় খোলা হিসাব বলে বিবেচিত হবে। হিসাব খোলার ক্ষেত্রে গ্রাহক পরিচিতির তথ্যসহ (কেওয়াইসি) প্রচলিত বিধি-বিধান যথাযথভাবে পালন করতে হবে। উপশাখার লেনদেন নিয়ন্ত্রণকারী শাখার বুকস অব অ্যাকাউন্টসে অন্তর্ভুক্ত হবে। জানা গেছে, উপশাখায় সব লেনদেন রিয়েল টাইম বেসিসে সম্পাদিত হবে এবং গ্রাহকদের তাৎক্ষণিকভাবে এসএমএস ও প্রিন্ট রশিদ দিতে হবে। উপশাখার সেবার পরিসর এবং যেকোনও লেনদেনের ঊর্ধ্বসীমা ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ কর্তৃক অনুমোদিত হতে হবে। তবে উপশাখায় বৈদেশিক বাণিজ্য-সংক্রান্ত কোনও কার্যক্রম সম্পাদন করা যাবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের ইন্টারনাল কন্ট্রোল অ্যান্ড কমপ্লায়েন্স নীতিমালা এবং সংশ্লিষ্ট নির্দেশনার আলোকে ব্যাংকের নিরীক্ষা কার্যক্রমের অন্তর্ভুক্ত রাখতে হবে। অর্থপাচারের ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রচলিত বিধি-বিধান মেনে চলতে হবে। উপশাখার সেবা দেওয়ার সময় হবে স্বাভাবিক ব্যাংকিং সময়। তবে বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদন সাপেক্ষে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করে ব্যাংক তার ব্যবসা ও গ্রাহকসেবার স্বার্থে অন্য সময়েও খোলা রাখতে পারবে। উপশাখায় নিরবচ্ছিন্ন ব্যাংকিং সেবা নিশ্চিত করতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাসহ তথ্যপ্রযুক্তি কাঠামো থাকার কথা বলা হয়েছে। উপশাখায় যেসব সেবা পাওয়া যাবে তার একটি তালিকা দৃশ্যমান স্থানে টাঙিয়ে রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গ্রাহকদের জন্য অভিযোগকেন্দ্র থাকার কথাও বলা হয়েছে।

Clearing cheque will be passed same day

From now all clearing cheque or other bank cheque will deposited clients account within due date. Bangladesh bank run new software by this all other banks cheque will be passed within same day.

Booth Banking in Bangladesh


Bangladesh Bank issued a circular allowing banks to operate ‘banking booth’ with a view to bringing unbanked and underprivileged people under the banking network. Such booths would be economical for the customers, said the circular issued by the BB’s Banking Regulations and Policy Department. At least two officers will be deployed at such booths, which will be not more than 1,000 squat feet. Fees, charges and commission of banking services will be less at such banking booths compared with branches. Transactions at the booths will be carried out on a real time basis and customers will get instant SMS and printed slip against their transactions. The booths, however, will not be allowed to carry out any sort of foreign transaction. To set up such booths, the banks must submit application to the central bank along with decision of its board of directors. The central bank, however, preserves the rights to close any such booth without giving prior notice. Under the central bank’s existing circular, issued on November 29, 2012, banks are allowed to operate SME and farm loan branches, collections and electronic booths as business development centers. The banking booths will now also be treated as business development centres of the banks, said the new BB circular. As per the central bank’s circular issued on Thursday, such booths will be regulated under the central bank’s rules and regulations for providing limited scale services. Such booths will be operated within a limited expenditure under the supervision of a nearby full-fledged branch of a bank.