bankviva.blogspot.com

সিটি ব্যাংক আমেরিকান এক্সপ্রেস ক্রেডিট কার্ডের বিল পরিশোধ করা যাবে বিকাশ অ্যাপে

খুব সহজেই যে কোনো সময় যে কোনো স্থান থেকে এই বিল পরিশোধ করা যাবে বলে সোমবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান বিকাশ।

“এরফলে ব্যাংকে গিয়ে দীর্ঘ লাইনে না দাঁড়িয়ে কিংবা কাউকে না পাঠিয়ে সুবিধাজনক সময় ও স্থান থেকে নির্ধারিত তারিখের মধ্যেই ক্রেডিট কার্ডের বিল পরিশোধের সুযোগ তৈরি হল।”
বিশেষ করে কোভিড-১৯ এর এই বিশেষ পরিস্থিতিতে সীমিত ব্যাংকিং সময়ের মধ্যে ব্যাংকে যাওয়ার ঝুঁকি নিতে হবে না গ্রাহককে। বিকাশের এই সেবাটি ব্যবহার করে সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে নিরাপদে ঘরে বসেই ক্রেডিট কার্ডের বিল পরিশোধ করতে পারবেন গ্রাহকরা।
এছাড়া এই সেবাটি ব্যাংক কাউন্টারের উপর বাড়তি চাপ কমাতেও সহায়তা করবে বলে জানিয়েছে বিকাশ।
আমেরিকান এক্সপ্রেস ক্রেডিট কার্ডের বিল পরিশোধের ক্ষেত্রে গ্রাহকরা যে কোনো পরিমাণ বিল বাংলাদেশি টাকায় পরিশোধ করতে পারবেন।
কয়েকটি সহজ ধাপে সিটি ব্যাংক আমেরিকান এক্সপ্রেস ক্রেডিট কার্ডের বিল পরিশোধ করা যাবে। বিকাশ অ্যাপের পে-বিল আইকনে অথবা সাজেশন বক্স থেকে সরাসরি অ্যামেক্স ক্রেডিট কার্ড বিল অপশনে ক্লিক করেই বিল দেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করতে পারবেন গ্রাহক। এরপর ক্রেডিট কার্ড নম্বর, বিলের পরিমাণ এবং বিকাশ পিন দিয়ে প্রক্রিয়া শেষ করতে হবে।
এই বিল পরিশোধ সেবায় ১ শতাংশ চার্জ প্রযোজ্য হবে। তবে ২৬ এপ্রিল থেকে ৩১ মে পর্যন্ত বিকাশের বিশেষ অফারের আওতায় গ্রাহকরা পরিশোধিত বিলের পরিমাণের উপর ১ শতাংশ ক্যাশব্যাক পাবেন, সর্বোচ্চ ২০০ টাকা পর্যন্ত।
বিকাশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদীর বলেন, “কোভিড-১৯ এর কারণে সৃষ্ট এই জরুরী পরিস্থিতিতে ঘরে অবস্থান করা ও লেনদেন যতটা সম্ভব স্পর্শবিহীন করা দরকার। বিকাশ অ্যাপে ক্রেডিট কার্ডের বিল পরিশোধের এই সেবাটি সহজ, নিরাপদ, ঝামেলাহীন ডিজিটাল লেনদেনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এই সময়ে উভয়েরই বিশাল গ্রাহকগোষ্ঠীর স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করতে ভূমিকা রাখবে।”
সিটি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাশরুর আরেফিন বলেন, "আমরা এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলাদেশী গ্রাহকদের আমেরিকান এক্সপ্রেস কার্ড সেবা দিয়ে আসছি। আশা করি, বিকাশের সাথে এই অংশীদারিত্বের ফলে আরও বেশি সংখ্যক গ্রাহক সিটি ব্যাংক আমেরিকান এক্সপ্রেস কার্ড ব্যবহার করতে আগ্রহী হবেন এবং আগামী দিনগুলোতে ডিজিটাল লেনদেনের সুযোগ আরও বিস্তৃত হবে।”
বর্তমানে দেশে ৪ লাখ আমেরিকান এক্সপ্রেস ক্রেডিট কার্ড গ্রাহক রয়েছেন যারা এখন থেকে ২৪ ঘন্টা যে কোনো স্থান থেকে তাদের সুবিধাজনক সময়ে এই সেবা পাবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
No comments:
Email ThisBlogThis!Share to XShare to FacebookShare to Pinterest

বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত তফসিলি ব্যাংকসমূহের শাখার বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে চলমান সাধারণ ছুটির সময় দেশের বাণিজ্যিক এলাকায় রাজধানীর মতিঝিল ও দিলকুশা এবং চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ ও আগ্রাবাদে অবস্থিত সব তফসিলি ব্যাংক চালু রাখার নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। একই সঙ্গে এসব এলাকার ব্যাংকগুলোর লেনদেন ও খোলা রাখার সময়ও বাড়িয়েছে নিয়ন্ত্রণ সংস্থা। আগামী ২৬ এপ্রিল হতে এ নির্দেশনা কার্যকর হবে।


নতুন সময় সূচি অনুযায়ী, এসব এলাকায় আগামী ২৬ এপ্রিল হতে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত গ্রাহক লেন‌দেন কর‌তে পার‌বে। আর ব্যাংক খোলা থাকবে বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত।
বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশন থেকে এ সংক্রান্ত এক সার্কুলার জারি করা হয়েছে।
দেশের তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো নির্দেশনায় বলা হয়েছে, করোনা ভাইরাস সংক্রমণ রোধকল্পে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির মধ্যে দেশের বিভিন্ন বন্দর (সমুদ্র/স্থল/বিমান) এর মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রমে সুবিধা প্রদানের উদ্দেশ্যে এসব এলাকায় (পোর্ট ও কাস্টমস্ এলাকা) অবস্থিত ব্যাংকের শাখা/বুথসমূহ স্থানীয় প্রশাসনসহ বন্দর/কাস্টমস্ কর্তৃপক্ষের সাথে আলোচনাক্রমে সপ্তাহে ৭ দিন ২৪ ঘন্টা খোলা রাখার যে নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছিল তা বহাল রয়েছে।
পাশাপাশি চট্টগ্রাম বন্দরে সৃষ্ট পণ্য জট নিরসনে আমদানিকৃত পণ্য দ্রুত খালাসের মাধ্যমে অধিকতর সুবিধা প্রদানের লক্ষ্যে দেশের প্রধান দু’টি  বাণিজ্যিক এলাকা তথা রাজধানীর মতিঝিল/দিলকুশা, এবং চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ ও আগ্রাবাদে অবস্থিত তফসিলি ব্যাংকসমূহের শাখার বিষয়ে নতুন কিছু সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী আগামী ২৬ এপ্রিল হতে পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত রাজধানীর মতিঝিল/দিলকুশা, এবং চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ ও আগ্রাবাদে অবস্থিত সব তফসিলি ব্যাংকের শাখা প্রতি কার্যদিবসে খোলা রাখতে হবে।
বাণিজ্যিক এলাকার ব্যাংক শাখার দৈনিক ব্যাংকিং লেনদেনের সময় সকাল ১০ টা থেকে দুপুর ২টা ঘটিকা পর্যন্ত পুনঃনির্ধারণ করা হল। এক্ষেত্রে লেনদেন পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম সম্পাদনের জন্য সংশ্লিষ্ট শাখা এবং প্রধান কার্যালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগ প্রয়োজনে দুপুর সাড়ে ৩টা পর্যন্ত খোলা রাখা যাবে।
সার্কুলারে আরো বলা হয়েছে ইতোপূর্বে ১৬ এপ্রিল জারিকৃত ডিওএস সার্কুলার লেটার নং-১৩ এর অন্যান্য সকল নির্দেশনা অপরিবর্তিত থাকবে। প্রধান দু’টি  বাণিজ্যিক এলাকা ছাড়া দেশের অন্য এলাকায় সীমিত আকারে ব্যাংকগুলো খোলা থাকবে। এসব ব্যাংকের শাখায় সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত গ্রাহক লেন‌দেন কর‌তে পার‌বে। আর ব্যাংক খোলা থাকবে দুপুর ২টা পর্যন্ত। পাশাপাশি করোনার কারণে সরকার ও স্থানীয় প্রশাসন যেসব এলাকা লকডাউন কর‌বে ওই এলাকায় সব ব্যাংকের সব শাখা বন্ধ থাক‌বে।
এছাড়া ব্যাংকিং লেনদেনের জন্য খোলা রাখা শাখা ও প্রধান কার্যালয়ে নির্দিষ্ট দূরত্ব (ডব্লিউএইচও এর গাইডলাইন অনুযায়ী) বজায় রাখার বিষয়য়ে নির্দেশনা নিশ্চিত করতে হবে।
No comments:
Email ThisBlogThis!Share to XShare to FacebookShare to Pinterest

সাধারণ ছুটি বাড়তে পারে ৪ মে পর্যন্ত

করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতির অবনতির কারণে সরকারি ছুটির মেয়াদ আরেক দফা বাড়ানো হচ্ছে। কিছু নির্দেশনাসহ সাধারণ ছুটি বাড়তে পারে ৪ মে পর্যন্ত এমনটাই জানিয়েছেন জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী।
এর আগে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটি ও নিয়ন্ত্রিত চলাচলের মেয়াদ এ দফায় বাড়ানো হয় ২৫ এপ্রিল পর্যন্ত। এবার ৫ম বারের মতো সরকারি ছুটি বাড়ানো হচ্ছে।
করোনাভাইরাসের প্রভাবে প্রথম দফায় ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত ছুটি দেওয়া হয়। এরপরে ছুটি বাড়িয়ে তা ১১ এপ্রিল পর্যন্ত করা হয়। ছুটি তৃতীয় দফা বাড়িয়ে করা হয় ১৪ এপ্রিল পর্যন্ত।
No comments:
Email ThisBlogThis!Share to XShare to FacebookShare to Pinterest

ক্রেডিট কার্ডের সুদ আদায় বন্ধ

করোনাভাইরাসের  ফলে গত ১৫ মার্চ থেকে আগামী ৩১ মে পর্যন্ত ক্রেডিট কার্ড নতুন করে কোনো সুদ আরোপ করা যাবে না। আজ বুধবার এ নিয়ে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো কোনো ব্যাংক অপরিশোধিত ক্রেডিট কার্ড বিলের ওপর মাসিক ভিত্তিতে চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ আরোপ করছে। এর ফলে গ্রাহক কর্তৃক অতিরিক্ত সুদ প্রদান করতে হচ্ছে বা হবে, বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে যা গ্রহণযোগ্য নয়। এ প্রেক্ষিতে ক্রেডিট কার্ডের বিলের ওপর ১৫ মার্চ থেকে আগামী ৩১ মে পর্যন্ত দৈনিক অথবা মাসিক ভিত্তিতে চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ আরোপ না করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হলো। এ ছাড়া ১৫ মার্চ থেকে যেসব গ্রাহকের ক্রেডিট কার্ডের ওপর দৈনিক ভিত্তিতে চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ আরোপ করা হয়েছে বা আদায় করা হয়েছে তাদের সেই টাকা ফেরত দিতে হবে অথবা আদায় করা যাবে না।
ক্রেডিট কার্ডের সুদ আদায় বন্ধ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে জোর দাবি ছিল। এর প্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বর্তমান পরিস্থিতিতে অনেক এলাকাতেই লকডাউন করা হয়েছে। নাগরিকদের ঘরের বাইরে বের না হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে গ্রাহকেরা কিস্তি বা বিভিন্ন বিল পরিশোধ করতে পাড়ছে না।ত করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর ফলে ক্রেডিট কার্ড গ্রাহককে নতুন করে কোনো সুদ আরোপ করতে পারবে না ব্যাংকগুলো। এর আগে ব্যাংকগুলোকে জরিমানা আদায় বন্ধ করতে বলেছিল বাংলাদেশ ব্যাংক। এরপরও কিছু ব্যাংক সুদ আরোপ ও আদায় অব্যাহত রেখেছিল, কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবার সেই সুদ আদায়ও বন্ধ করার নির্দেশ দিয়েছে।

 ফলে গত ১৫ মার্চ থেকে আগামী ৩১ মে পর্যন্ত ক্রেডিট কার্ড নতুন করে কোনো সুদ আরোপ করা যাবে না। আজ বুধবার এ নিয়ে নির্দেশনা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্দেশনায় বলা হয়েছে, কোনো কোনো ব্যাংক অপরিশোধিত ক্রেডিট কার্ড বিলের ওপর মাসিক ভিত্তিতে চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ আরোপ করছে। এর ফলে গ্রাহক কর্তৃক অতিরিক্ত সুদ প্রদান করতে হচ্ছে বা হবে, বর্তমান সংকটময় পরিস্থিতিতে যা গ্রহণযোগ্য নয়। এ প্রেক্ষিতে ক্রেডিট কার্ডের বিলের ওপর ১৫ মার্চ থেকে আগামী ৩১ মে পর্যন্ত দৈনিক অথবা মাসিক ভিত্তিতে চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ আরোপ না করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করা হলো। এ ছাড়া ১৫ মার্চ থেকে যেসব গ্রাহকের ক্রেডিট কার্ডের ওপর দৈনিক ভিত্তিতে চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ আরোপ করা হয়েছে বা আদায় করা হয়েছে তাদের সেই টাকা ফেরত দিতে হবে অথবা আদায় করা যাবে না।
ক্রেডিট কার্ডের সুদ আদায় বন্ধ নিয়ে গ্রাহকদের মধ্যে জোর দাবি ছিল। এর প্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। বর্তমান পরিস্থিতিতে অনেক এলাকাতেই লকডাউন করা হয়েছে। নাগরিকদের ঘরের বাইরে বের না হওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এতে গ্রাহকেরা কিস্তি বা বিভিন্ন বিল পরিশোধ করতে পাড়ছে না।
No comments:
Email ThisBlogThis!Share to XShare to FacebookShare to Pinterest

করোনায় আক্রান্ত হলে ব্যাংকার পাবেন ৫ থেকে ১০ লাখ টাকা, মারা গেলে ৫ গুণ

করোনাভাইরাসের কারণে সরকারঘোষিত সাধারণ ছুটির মধ্যেও সীমিত আকারে ব্যাংকিং কার্যক্রম চালু আছে। এ কারণে অনেক কর্মকর্তা-কর্মচারীকে ব্যাংকে গিয়ে সেবা দিতে হচ্ছে। তাঁদের ঝুঁকি বিবেচনায় এবং দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতিস্বরূপ বিশেষ স্বাস্থ্য বিমা সুবিধা এবং অনুদান প্রদানের নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। সরকারি-বেসরকারি সবাইকেই নির্দেশনা মানতে হবে। 


নির্দেশনা অনুযায়ী, কোনো কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনা আক্রান্ত হলে পদ ভেদে ৫ লাখ থেকে ১০ লাখ টাকা বিমা সুবিধা পাবে। আক্রান্ত হওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে এ সুবিধা দিতে হবে এবং পুরো চিকিৎসা খরচ ব্যাংককে বহন করতে হবে। এ ছাড়া কেউ মারা গেলে পদ ভেদে তাঁর পরিবার পাবে ৫ গুণ বেশি সুবিধা। ব্যাংককে অনুদান হিসেবে এ অর্থ দিতে হবে এবং তাঁর বেতন ভাতা এবং অন্য সুবিধার সঙ্গে সমন্বয় করা যাবে না। পাশাপাশি এই বিশেষ সময়ে ব্যাংকে যাতায়াতের সময় কেউ দুর্ঘটনায় পড়লে ব্যাংককে পুরো চিকিৎসার দায়িত্ব নিতে হবে। সরকারি ছুটি শুরু হওয়ার পর থেকে এ নির্দেশনা কার্যকর হবে। নির্দেশনা বলবৎ থাকবে সরকারি ছুটি শেষে হওয়ার ৩০ দিন পর পর্যন্ত। এ নিয়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, ব্যাংকিং দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কিছুসংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে সরকার ঘোষিত সাধারণ ছুটির সময় ব্যাংকিং খাতকে সচল রাখতে যারা তাদের জীবন ও পরিবারকে ঝুঁকিতে রেখে দায়িত্ব পালন করছেন বা করেছেন, তাদের দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতি হিসেবে বিশেষ স্বাস্থ্য বিমা সুবিধা এবং বিশেষ অনুদান প্রদানের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
No comments:
Email ThisBlogThis!Share to XShare to FacebookShare to Pinterest

কীভাবে মাস্ক পরিষ্কার করবেন?


করোনাভাইরাস প্রতিরোধে মাস্ক ব্যবহার করছেন অনেকে। কিন্তু নির্দিষ্ট রীতি মেনে জীবাণুমুক্ত না করলে তা হতে পারে ভয়াবহ। উল্টো করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন।
যদি সার্জিক্যাল মাস্ক ব্যবহার করেন তা ফেলে দিতে হয়। কিন্তু এন৯৫ ও সুতির কাপড়ের মাস্ক বা টেরিলিন কাপড়ের মাস্ক এমনকি ঘরোয়া উপায়ে বানানো মাস্ক পরলেও নির্দিষ্ট রীতি মেনে তাদের পরিষ্কার করতে হবে।
আসুন জেনে নেই কীভাবে মাস্ক পরিষ্কার করবেন।
• মুখ থেকে মাস্ক খুলতে হবে দড়ি, ফিতে বা রাবার ব্যান্ডের অংশ ধরে। মাস্কে সরাসরি হাত দেওয়া যাবে না। এ বার তা সাবান পানিতে ভিজিয়ে কে
চে নিন। তাতে মাস্ক জীবাণুমুক্ত হবে।
• ঝুলিয়ে রাখতে হবে মাস্কের ফিতে বা দড়ির অংশ ধরে। যাতে শুকানোর সময় মাস্কের মূল অংশে ধুলোবালি যেন না লাগে।
• এ ছাড়া পানি ফুটতে দিয়ে তাতে লবন দিন। এবার ওই লবন মেশানো গরম পানিতে মাস্ক রেখে ফুটিয়ে নিতে পারেন। তাতেও সহজেই জীবাণুমুক্ত হবে মাস্ক। তবে এ ক্ষেত্রেও নিয়ম মেনে কড়া রোদে শুকাতে হবে মাস্ক।
• শুকানোর পর মাস্ক ৫-৭ মিনিট ধরে ইস্ত্রি করে নিলেই ফের ব্যবহারের জন্য তৈরি হয়ে যাবে।
• কোনও ভাবেই ভেজা মাস্ক পরবেন না। এতে সংক্রামিত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।
No comments:
Email ThisBlogThis!Share to XShare to FacebookShare to Pinterest

টাকার করনা থেকে বাঁচার উপায়

মহামারী করোনাভাইরাস থেকে আমাদের নিত্যদিনের সঙ্গী টাকার নোটকে নিরাপদ রাখার সম্ভাব্য সব রকমের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে মানুষ। এই নোটের কোনও প্রকার ক্ষতি না করে তা পরিষ্কারের পদ্ধতি নিয়ে কিছু পরামর্শ (How to use cash money during coronavirus) দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্ষব্যাধি (রেসপিরেটরি) বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডাঃ একেএম মোশাররফ হোসেন বলেন।

এপর্যন্ত বিজ্ঞানীরা একমত যে, করোনাভাইরাস ড্রপলেট বা ফোঁটা আকারে নাসারন্ধ্র দিয়ে শ্বাসনালী হয়ে ফুসফুসে প্রবেশ করে। কোভিড-১৯ রোগীর কাশিতে ৩ হাজার ও হাঁচিতে ৪০ হাজার পর্যন্ত ড্রপলেট তৈরী হয়। এই অদৃশ্য ড্রপলেট বা ফোঁটার ব্যাস ৫-১০ মাইক্রোন। ড্রপলেটের নভেল করোনাভাইরাস (SARS-COV-2) প্রায় ৩ ঘন্টা বাতাসে বেঁচে থাকে। এই ড্রপলেট বিভিন্ন বস্তুর উপর পড়ে।
বস্তুভেদে এবং তাপমাত্রা ও আদ্রতার উপর ড্রপলেটের ভাইরাসের আয়ুষ্কাল নির্ভর করে। দেখা যায় কাগজের উপর ভাইরাস বাঁচে ৪-৫ দিন। যেহেতু টাকার নোট কাগজের, তাই ধারনা করা হয় টাকার নোট করোনা ছড়াচ্ছে। কারন টাকা থেকে সহজেই করোনা হাত থেকে মুখ নাক ও চোখ হয়ে দেহে প্রবেশ করতে পারে। বিশেষত কোরিয়া, চায়না ও যুক্তরাষ্ট্র টাকায় করোনা ছড়ানোর বিষয়ে খুবই উদ্বিগ্ন।
যুক্তরাষ্ট্রে সব ডলারের নোট ১৪ দিন কোয়ারেন্টিন করা হচ্ছে। প্রায় সব দেশেই ক্যাশ লেনদেন না করে অনলাইন ও মোবাইল ব্যাংকিংসহ ডেবিট/ক্রেডিট কার্ড ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ভারতে টাকা ধরার আগে পরে সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার উপর জোর দেয়া হচ্ছে। বাংলাদেশেও এখন করোনার দ্রুত বিস্তার ঘটছে। এই বিস্তাররোধে ড্রপলেটের পাশাপাশি টাকায় করোনা ছড়ানোর বিষয়ে সবার মধ্যে উদ্বেগ লক্ষনীয়। টাকায় করোনা ছড়ানো কিভাবে বন্ধ করা যায় এ নিয়ে বিভিন্ন উপায় খুঁজছে। এমতাবস্হায় আমার কয়েকটি উপদেশ:

১) টাকা ধরার আগে ও পরে ২০ সেকেন্ড সাবান পানিতে হাত ধোন। এর পূর্বে ভুলেও হাত চোখ মুখ নাকে লাগাবেন না। টাকা গোনার সময় জিহ্বার থুতু আংগুলে নিবেন না

২)টাকা কোয়ারেন্টিন করুন। টাকা ১০-১৪ দিন একজায়গাতে রেখে দিন। এরপর ঐ টাকায় লেনদেন করুন। এরমধ্যে করোনা থাকলেও মারা যাবে

 ৩) ক্যাশটাকার লেনদেন যত পারেন কমিয়ে দিন। আশাকরি এই তিনটি পদ্ধতি অনুসরন করলে টাকার নোট থেকে করোনা ভাইরাস সংক্রমন হবে না।
No comments:
Email ThisBlogThis!Share to XShare to FacebookShare to Pinterest

City Touch - Digital Banking Service from The City Bank ltd

Citytouch - Digital Banking Service from City Bank brings you the simplest way to handle banking. The service brings together all the conveniences of branch banking to the screen of your internet-enabled devices. Now you can shop from leading retailers, buy air tickets, pay bills of mobile phone, credit cards & schools; transfer funds, keep track of your accounts: Current, Savings, Fixed deposit or Loan and do much more through Citytouch. Banking has never been this simple.

Real time online registration

Now you do not have to visit the bank to register for Citytouch Digital Banking. Simply download the app from the app store or visit www.citytouch.com.bd to register and enjoy banking on the go. 
Services include:
  • Transfer funds
  • View account statements 
  • Manage bank accounts
  • Mobile top-ups
  • Pay credit card and utility bills
  • Activate or block your debit and credit cards
  • Debit and credit card PIN change
  • Issue, stop and manage your cheque books
  • Buy domestic air tickets, movie tickets and many more 

Enjoy Citytouch Digital Banking from 350 City ATMs

Experience best-in-class Digital Banking services of Citytouch right from all City ATMs across the country. 
img-responsive
2 comments:
Email ThisBlogThis!Share to XShare to FacebookShare to Pinterest
Labels: Apps Banking

এখন যে সকল ব্যাংক এর এফ ডি আর রেট ভাল

বেসরকারি খাতের পদ্মা (সাবেক ফারমার্স) ব্যাংক ৪০০ দিন মেয়াদে সাড়ে ১১ শতাংশ, ন্যাশনাল ব্যাংক ৬ মাসের জন্য সাড়ে ৯ শতাংশ, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ও ইউনিয়ন ব্যাংক এক বছর মেয়াদে ৯ শতাংশ, ইউসিবিএল তিন মাস মেয়াদে ৮ দশমিক ৭০ শতাংশ, বেসিক ব্যাংক ২০০ দিন মেয়াদে সাড়ে ৮ শতাংশ সুদে আমানত নিচ্ছে। সোশ্যাল ইসলামী ব্যাংক এক
বছর মেয়াদে ৮ দশমিক ৪০ শতাংশ, আইএফআইসি ব্যাংক তিন মাস মেয়াদে ৮ শতাংশ, এবি ব্যাংক ৩ ও ৬ মাস মেয়াদে ৭ শতাংশ, মার্কেন্টাইল ব্যাংক এক বছর মেয়াদে ৭ শতাংশ সুদ দিচ্ছে। এ ছাড়া সাউথইস্ট ব্যাংক ১০০ দিন মেয়াদে ৭ শতাংশ, এনআরবি গ্লোবাল ব্যাংক তিন বছর মেয়াদে ৯ শতাংশ সুদে আমানত নিচ্ছে। এভাবে আরও কয়েকটি ব্যাংক ৬ শতাংশের বেশি সুদে আমানত সংগ্রহ করে চলেছে।
No comments:
Email ThisBlogThis!Share to XShare to FacebookShare to Pinterest

Easy life with bank

Banks not only make the economy faster but also make the life easier. In England when bank establised the moto was not only increse the savings of the people, take & give,  faster the economy but also it was the moto that make the daily movement easier, safe and harsh free.

Now we can open a bank acount from home, deposit the money from nearest, reliable, harshfree service. Not we can pay the bill of any kind of shop by mobile. Pay our current bill, gas bill, water bill etc from home and by our mobile. Its make the life faster,easier.
No comments:
Email ThisBlogThis!Share to XShare to FacebookShare to Pinterest
Labels: Banking News

Banking in my hand

আর্থিক লেনদেনের ক্ষেত্রে বিপ্লব এনেছে মোবাইল আর্থিক সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো। ১৬টি ব্যাংক এখন দেশজুড়ে এই সেবা দিচ্ছে। তবে এই সেবার বড় হিস্যাই ব্র্যাক ব্যাংকের বিকাশ, ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের রকেট এবং ডাক বিভাগের নগদ-এর। তাদের এগিয়ে যাওয়ার গল্প নিয়েই এবারের আয়োজন ময়মনসিংহের ফজর আলী, পেশায় রিকশাচালক। দেড় দশক ধরে ঢাকায় রিকশা চালিয়ে অর্থ উপার্জন করেন। তাঁর দুই মেয়ে ময়মনসিংহের স্কুলে পড়াশোনা করে, স্ত্রীও সেখানে থাকেন। আগে তিনি পরিবারের কাছে টাকা পাঠাতে কুরিয়ার সার্ভিসের পাশাপাশি স্থানীয় ব্যক্তিদের সহায়তা নিতেন। তিন বছর ধরে টাকা পাঠাতে আর কারও সহায়তা নেন না। মোবাইলে আর্থিক সেবাদাতা (এমএফএস) প্রতিষ্ঠান বিকাশের মাধ্যমে প্রতি সপ্তাহে নিজেই টাকা পাঠিয়ে দেন। এতে যেমন টাকা পাঠানোর ঝুঁকি কমে গেছে, একইভাবে তাৎক্ষণিক টাকাও পেয়ে যাচ্ছে তাঁর পরিবার। ফজর আলীর মতো সব রিকশাচালক ও কম আয়ের মানুষের কাছে এমএফএস এখন যেন বড় আশীর্বাদ। সারা দেশের বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় সাড়ে তিন কোটি মানুষ নিয়মিত এ সেবা ব্যবহার করছে। আর এ সেবার জন্য নিবন্ধিত গ্রাহক এখন প্রায় ৮ কোটি। বাংলাদেশে মোবাইলের মাধ্যমে আর্থিক সেবার যাত্রা শুরু হয় ২০১১ সালের মার্চে। বেসরকারি খাতের ডাচ্-বাংলা ব্যাংক প্রথম এ সেবা চালু করে। পরে এটির নাম বদলে হয় রকেট। এরপর ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে এমএফএস সেবা চালু করে ‘বিকাশ’। পরবর্তী সময়ে আরও অনেক ব্যাংক এ সেবায় এসেছে। তবে খুব সুবিধা করতে পারেনি। বর্তমানে বিকাশ, রকেটের পাশাপাশি মাই ক্যাশ, ইউক্যাশ, শিওর ক্যাশসহ ১৬টি ব্যাংক এ সেবা দিচ্ছে। এ বাজারের ৭০ শতাংশ বিকাশের নিয়ন্ত্রণে, ২২ শতাংশ রকেটের ও বাকিটা অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর। এরপরও এ সেবার মাশুল এখনো অনেক বেশি। এক হাজার টাকা তুলতে গ্রাহকদের খরচ করতে হয় সাড়ে ১৮ টাকা। এরপরও দৈনিক ১ হাজার ৩০০ কোটি টাকা লেনদেন হচ্ছে এ সেবার মাধ্যমে। আর দিনে লেনদেনের সংখ্যা প্রায় ৭৫ লাখ। এতেই বোঝা যায়, এ সেবার পরিধি কেমন। তবে ইনস্টিটিউট অব মাইক্রোফিন্যান্সের (আইএনএম) নির্বাহী পরিচালক মুস্তফা কে মুজেরী এ সেবা নিয়ে প্রথম আলোকে বলেন, বাজারটি এখনো প্রতিযোগিতামূলক হয়ে ওঠেনি। একটি প্রতিষ্ঠানই বড় অংশের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নিয়েছে, আরও একটি বাকিটা। আবার এসব সেবা সেভাবে দেখভালও হচ্ছে না। এর ফলে সেবার মান ও খরচ কমছে না। তাই বাজারটি কীভাবে প্রতিযোগিতামূলক করা যায়, তা নিয়ে কাজ করার সময় এসেছে। এমএফএস সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো বলছে, যে মাশুল আদায় হয়, তার ৬০ শতাংশের বেশি এজেন্টদের দেওয়া হয়। এরপর নেটওয়ার্ক খরচ দিতে হয়। বাকিটা প্রতিষ্ঠান পরিচালনাতে খরচ হয়। দিন শেষে মুনাফা হয় খুব কম। তবে দিন শেষে এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলোর হিসাবে তিন হাজার কোটি টাকার বেশি জমা থাকছে। এসব অর্থের সুদ থেকেই মুনাফা করছে প্রতিষ্ঠানগুলো। এদিকে এমএফএস চালুর ফলে শুধু কম আয়ের মানুষের সুবিধা হয়েছে, বিষয়টা তেমন না। বড় করপোরেট ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান এবং শিল্পমালিকেরাও এর সুবিধা পেয়েছেন। এখন দেশের সব বড় ভোগ্যপণ্য প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের পণ্য বিক্রির টাকা এ সেবার মাধ্যমে সংগ্রহ করছে, যাকে কালেকশন সেবা বলছে এমএফএস প্রতিষ্ঠানগুলো। আবার অনেক বড় শিল্প গ্রুপ তাদের শ্রমিকের বেতনও দিচ্ছে এমএফএসের মাধ্যমে। শুধু তা–ই নয়, সরকারি ভাতা, বৃত্তি, কেনাকাটা, পরিষেবা বিল পরিশোধ—সবই করা যাচ্ছে। আবার ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ ও আদায় এবং বিদেশি সংস্থার তহবিল বিতরণও হয়ে থাকে। জানা গেছে, হা-মীম গ্রুপের ৪০ হাজার, স্ট্যান্ডার্ড গ্রুপের ৩৮ হাজার, বেক্সিমকো গ্রুপের ৩১ হাজার, ভিয়েলাটেক্স গ্রুপের ১২ হাজার ও এবিএ গ্রুপের সাড়ে ১১ হাজার কর্মীর বেতন হয় বিকাশের মাধ্যমে। আবার ভোগ্যপণ্য প্রতিষ্ঠান নেসলে বাংলাদেশ, ম্যারিকো বাংলাদেশ, স্কয়ার ফুডসহ আরও অনেক প্রতিষ্ঠানের পণ্য বিক্রির টাকা সংগ্রহ হয় বিকাশের মাধ্যমে। আবার ব্র্যাক, ব্যুরো বাংলাদেশসহ আরও অনেক প্রতিষ্ঠানের ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ ও কিস্তি সংগ্রহ হয় বিকাশের মাধ্যমে। দিন দিন সেবার আওতা বেড়ে চলেছে। আবার রকেটের মাধ্যমে ট্রান্সকম বেভারেজ, বার্জার পেইন্ট, বাটা সু, ম্যারিকো বাংলাদেশসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের পণ্য বিক্রির টাকা জমা হয়। নোমান, ফকির, অ্যাপেক্স, মোহাম্মদী, এসিআই, প্রাণ–আরএফএলসহ আরও বিভিন্ন শিল্প গ্রুপের কর্মীর বেতন যায় রকেটের মাধ্যমে। বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ডিসেম্বর পর্যন্ত এ সেবার গ্রাহকসংখ্যা ছিল ৭ কোটি ৯৬ লাখ। এর মধ্যে সক্রিয় গ্রাহক ৩ কোটি ৪৭ লাখ। আর দেশজুড়ে এ সেবা দিতে এজেন্ট রয়েছেন ৯ লাখ ৭১ হাজার। ডিসেম্বরে দৈনিক লেনদেন হয়েছে ১ হাজার ৩৫০ কোটি টাকা, নভেম্বরে যা ছিল ১ হাজার ২৬৩ কোটি টাকা। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী, মোবাইল ব্যাংকিংয়ে দিনে পাঁচবারে ৩০ হাজার টাকা জমা করা যায়। মাসে ২৫ বারে সর্বোচ্চ ২ লাখ টাকা। আর এক দিনে ২৫ হাজার টাকা উত্তোলন ও ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি হিসাবে পাঠানো যায়। সেবা দিচ্ছে ১৬ ব্যাংক বাংলাদেশে এখন ১৬টি ব্যাংক মোবাইলে আর্থিক সেবা দিচ্ছে। ব্র্যাক ব্যাংকের বিকাশ, ডাচ্​–বাংলার রকেট, ইসলামী ব্যাংকের এম ক্যাশ, ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের ইউক্যাশ, সাউথইস্ট ব্যাংকের টেলিক্যাশ, ওয়ান ব্যাংকের ওকে, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের মাই ক্যাশ, প্রাইম ব্যাংকের প্রাইম ক্যাশ, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংকের স্পট ক্যাশ, ট্রাস্ট ব্যাংকের মোবাইল মানি, মেঘনা ব্যাংকের ট্যাপ এন পে। এ ছাড়া রুপালি, ফার্স্ট সিকিউরিটি, বাংলাদেশ কমার্স, এনসিসি ও যমুনা ব্যাংক দিচ্ছে শিওর ক্যাশ সেবা। এর মধ্যে মেঘনা ব্যাংকের সেবা বন্ধের পথে। আরও কয়েকটি ব্যাংক এমএফএস সেবা চালু করার পর আবার বন্ধও করে দিয়েছে
No comments:
Email ThisBlogThis!Share to XShare to FacebookShare to Pinterest
Labels: Banking News, MobileBank

Bengal Commercial Bank gets BB approval

Bengal Commercial Bank, was proposed to be set up by the Bengal Group of Industries. The Bangladesh Bank has given its final okay to Bengal Commercial Bank, bringing the number of scheduled banks in the country to 60. Bengal Commercial Bank, was proposed to be set up by the Bengal Group of Industries. The central bank board of directors approved the new bank at a meeting held at Bangladesh Bank headquarters on Sunday. Bangladesh Bank Governor Fazle Kabir presided over the meeting. "The bank will run with 17 sponsor directors and three independent directors. Bengal Group of Industries Vice Chairman Md Jashim Uddin will act as the chairman of the bank," said Bangladesh Bank Executive Director and spokesperson Md Serajul Islam. On October 29, 2018, the central bank approved Community Bank Bangladesh and rejected proposals for three other banks lacking adequate documents to be eligible for licences. Bangladesh Police Welfare Trust owns Community Bank Bangladesh. Economist and former finance adviser to a caretaker government, AB Mirza Azizul Islam, told Dhaka Tribune: "There is no logic to approving more banks. We should think of laws to force mergers for the existing ones, rather than establishing new banks." "The number of banks is already high," he added. The financial health of the nine banks which got licences in 2013 is poor, with one of those currently on "life support," a senior Bangladesh Bank official said.
No comments:
Email ThisBlogThis!Share to XShare to FacebookShare to Pinterest
Labels: Banking News
Newer Posts Older Posts Home
Subscribe to: Posts (Atom)

Blog Archive

  • ►  2025 (1)
    • ►  July (1)
  • ▼  2020 (12)
    • ▼  April (8)
      • সিটি ব্যাংক আমেরিকান এক্সপ্রেস ক্রেডিট কার্ডের বিল...
      • বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত তফসিলি ব্যাংকসমূহের শাখার...
      • সাধারণ ছুটি বাড়তে পারে ৪ মে পর্যন্ত
      • ক্রেডিট কার্ডের সুদ আদায় বন্ধ
      • করোনায় আক্রান্ত হলে ব্যাংকার পাবেন ৫ থেকে ১০ লাখ ...
      • কীভাবে মাস্ক পরিষ্কার করবেন?
      • টাকার করনা থেকে বাঁচার উপায়
      • City Touch - Digital Banking Service from The City...
    • ►  February (4)
      • এখন যে সকল ব্যাংক এর এফ ডি আর রেট ভাল
      • Easy life with bank
      • Banking in my hand
      • Bengal Commercial Bank gets BB approval
  • ►  2019 (5)
    • ►  December (1)
    • ►  October (1)
    • ►  September (1)
    • ►  August (2)
  • ►  2017 (3)
    • ►  February (3)
  • ►  2015 (3)
    • ►  February (3)
  • Coming
  • Next
  • Refund
google.com, pub-7118742488650109, DIRECT, f08c47fec0942fa0
Simple theme. Powered by Blogger.